গেল বছর নভেম্বর মাসে পুলিশের বিরুদ্ধে একজন বাংলাদেশী ৫০ ইউরো চাঁদা দাবীর প্রথম অভিযোগটি করেন এরপর ফেব্রুয়ারী মাসের ১৩ তারিখ আরেক বাংলাদেশী পুলিশের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করলে ফ্রান্সের ন্যাশনাল পুলিশের (IGPN) পরিদর্শক বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়। অনুসন্ধানে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ২০১২, ২০১৩ সালে এধরনের ১২ টি চাঁদাবাজী ঘটনার সূত্র পান। ৬ জন বাংলাদেশী ফুল বিক্রেতা পাওয়া যায়, যারা দুই পুলিশ কর্তৃক চাঁদাবাজীর স্বীকার হয়েছেন। তদন্তে দুজন পুলিশকে সনাক্ত করা হয়। পুলিশের কাজ যেখানে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সেখানে মানবাধিকারের দেশ ফ্রান্সে পুলিশ কতৃক চাঁদাবাজীর ঘটনায় কোর্ট বিস্নয় প্রকাশ করে। কর্তৃপক্ষ জানতে পারেন চাঁদার পরিমান ছিল ৭ ইউরো থেকে ২৫০ ইউরো। যদিও সর্বমোট কত ইউরো চাঁদাবাজি হয়েছে তার পরিমান এখনো তদন্তাধীন। কোর্টের আর্জিতে বলা হয় দুজন পুলিশ আর্থিক সমস্যায় ছিলেন কিন্তু কোর্ট এমন বক্তব্য আমলে নেয়নি। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে আক্রমনের স্বীকার হবেন অথবা দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হতে পারে বলে বাংলাদেশী ফুল বিক্রেতা ভীত ছিলেন। এই বাংলাদেশীরা ফ্রান্সে বৈধতার জন্য আবেদন করে অপেক্ষমান রয়েছেন। বর্তমানে দুই পুলিশ জেল হাজতে।