
রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের প্রথম নামাজে জানাজাতে মানুষের ঢল নামে। কলেজ মাঠে স্থান সংকুলান না হওয়ায় অনেক মানুষকে রাস্তায়, বাসার ছাদে ও বাসের ছাদে থেকেও জানাজায় অংশ নিতে দেখা যায়। হাজী আসমত কলেজ মাঠে সকাল ১০টা ৮মিনিটে অনুষ্ঠিত হয় তার জানাজা। জানাজা পড়ান ভৈরব জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মোহাম্মদ জামান।
পরে তিনি মোনাজাত পরিচালনা করেন। এসময় তার রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়।
পরে রাষ্ট্রপতির কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সরকারদলীয় চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ৩৩ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল জাহিদ, ঢাকার ডিআইজি নুরুজ্জামান, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সিদ্দিকুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার, উপজেলা প্রশাসন ভৈরব, ভৈরব যুবলীগ, স্থানীয় আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ব্যবসায়ী সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন ও যুব সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ।
প্রথম জানাজার জন্য রাষ্ট্রপতির মরদেহ শুক্রবার সকালে বিশেষ হেলিকপ্টার যোগে তার জন্মস্থান ভৈরবে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জানাজা শেষে হেলিকপ্টারটি আবার ঢাকার উদ্দেশে ভৈরব ত্যাগ করে। এসময় ভৈরবের হাজার হাজার মানুষ হাত নেড়ে শেষ বিদায় জানায় তাদের প্রিয় নেতা জিল্লুর রহমানকে।