
৬০ বছর বয়সী নায়েত ক্যানসার চিকিৎসার সময়টা তার বাবা মায়ের কাছে কাটান।
তিনি বলেন, “এই স্ক্যান আমার শেষ বাঁচার সুযোগ ছিল। লিলে হাসপাতালে অপারেশনে আমার পেট কাটা হয়েছে কিন্তু এই রোগ আমার যকৃতে ছড়িয়ে পড়েছে। আমি কেমো নিয়েছি, দুবার অপারেশন ও করিয়েছি কিন্তু এগুলো তেমন কোন কাজে আসেনি। আমি এখন মনবল নিয়ে কোনমতে বেঁচে আছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমি যখন বুঝতে পারলাম সে হার্ট এটাকে আক্রান্ত আমি তাকে বললাম, এখন আমার প্রাণ নয়, তোমার প্রাণ ঝুঁকিতে আছে। গাড়ীর চাবিটা আমাকে দাও।”
তিনি গাড়িটা চালাতে শুরু করলেন এবং ফ্লাশ লাইট অন করলেন কিন্তু সাইরেন তা কিছুতেই বাজছিলনা কিন্তু এই বাধা তাকে একজনের জীবন বাঁচাতে পিছপা করতে পারেনি।
তিনি নিরাপদে ড্রাইভারকে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছান এবং তাকে তিন ঘণ্টা পর তার স্ক্যান দেয়া হয়।