ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ফ্রাঁসোয়া ওঁলাদ গত মঙ্গলবার চীনের রাজধানী বেইজিং পৌছেছেন, এ সফরের লক্ষ্য হল ফ্রান্সের সাথে চীনের বৈদেশীক বাণিজ্য তথা আমদানি-রপ্তানী মজবুত করা বিশেষত বিমান ও পরমাণু শক্তির উপর।চাইনিজ নুতন রাষ্ট্রপতি জী-জিনপিং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ওঁলাদকে স্বাগত জানান এবং তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন চীনের বাজারে ফ্রান্সের প্রাধান্য থাকবে।চীনের সাথে ফ্রান্সের ১.৩% বৈদেশীক লেনদেন এবং জার্মানীর সাথে ৫%,চায়নার সাথে প্যারীসের বাণিজ্যিক ঘাটতি প্রায় ২৬ বিলীয়ন ইউরোস।আশা করা হচ্ছে ফ্রান্সের পরমাণু শক্তি কেন্দ্র জায়েন্ট আরিভা এবং চাইনিজ পরমাণু কেন্দ্র সিএনএনসি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করবেন অন্যদিকে ফ্রান্সের এয়ারভাস কম্পানী চেষ্টা করছে চাইনিজ এয়ারলাইন্স থেকে কিছু মূল্যবান অর্ডার নিতে। অনেক দরকষাকষির পর কারম্যাকার রেনল্ট আশা করেন প্রতি বছর ১৫০,০০০ যান ও যন্ত্রপাতি হুয়ান ফ্যাক্টরী থেকে সাপ্লাই দেওয়া হবে।ফ্রান্স চীনের বাজারে রান্না করা প্রক্রিয়াজাত শূকরের মাংস রপ্তানি করবে কারন চীনের বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।ওঁলাদ এ দুদিনের সফরে অনেক আশাবাদী যদিও দুপক্ষের বৈঠক এখনও শেষ হয়নি।প্রত্যাশা করা হচ্ছে চীনের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রপতি জী-জিনপিং এর সাথে ওঁলাদের আরও তিনটি বৈঠক আছে, এর মধ্যে ভোজসভা রয়েছে বৃহ:পতিবার এবং শুক্রবার দুজন তাদের সস্ত্রীক যথাক্রমে Valerie Trierweiler এবং Peng Liyuan কে সাথে নিয়ে এক বন্ধুত্বপূর্ণ লান্চ এ মিলিত হবেন।
