
মঙ্গলবার, ঢাকার ৪ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে ধর্ষিতা ছাত্রী ও তার মায়ের পক্ষে রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচারের জন্য দাখিল করা আবেদন মঞ্জুর করেন বিচারক মো. আরিফুর রহমান এ আদেশ দেন।
আইনের ২০ (৬) ধারায় অনুযায়ী, “কোনোব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে কিংবা ট্রাইবুনাল স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করলে এই আইনের ধারা ৯ এর অধীন অপরাধের (ধর্ষণ মামলার বিচার) বিচার কার্যক্রম রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত করতে পারবে।”
২০১১ সালের ২৮ মে ভিকারুননিসা নূন স্কুলের বসুন্ধরা শাখার পাশে ‘এফ’ ব্লকে ৬ নম্বর রোডের একটি বাসায় দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে শিক্ষক পরিমল। এরপর ১৭ জুন দ্বিতীয় দফায় সে ধর্ষণের শিকার হয়।
পরে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ৫ জুলাই বাড্ডা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১)/৩০ ধারায় পরিমল জয়ধর, অধ্যক্ষ হোসনে আরা এবং বসুন্ধরা শাখার প্রধান লুৎফর রহমানকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়ের করার দুইদিন পর ২০১১ সালের ৭ জুলাই ভোররাতে কেরানিগঞ্জের এক আত্মীয়ের বাসা থেকে পরিমলকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
গত বছরের ৭ মার্চ আসামি পরিমল জয়ধরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে অপর আসামি ভিকারুন্নেসার সাবেক অধ্যক্ষ হোসনে আরা এবং একই প্রতিষ্ঠানের বসুন্ধরা শাখার প্রধান লুৎফর রহমানকে অব্যাহতি দেন একই বিচারক।
২০১১ সালের ১১ জুলাই তারিখে পরিমল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন এবং সে মাসের ১৭ তারিখে নির্যাতনের শিকার ভিকারুননিসা স্কুল বসুন্ধরা শাখার দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারায় ঘটনাটি বর্ণনা করে জবানবন্দি দেন।
পরে ১৪ অগাস্ট মামলার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।