
জানা গেছে, ব্রিটেনে অবস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশীরা গত বছর ১শ’ কোটি ডলারের সমপরিমাণ রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন। যেভাবে এই রেমিটেন্সের পরিমাণে বেড়েছে এই সুযোগ নিতে বাংলাদেশের অনেক ব্যাংক তাদের মানি এক্সচেঞ্জ খুলেছেন। ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় আড়াই শ’ মানি এক্সচেঞ্জ মালিকানীধীন প্রতিষ্ঠান রয়েছে ব্রিটেনে। সার্ভিস চার্জ কম থাকায় এবং কোন ধরনের ঝামেলা না থাকায় লন্ডন থেকে দ্রুত টাকা পাঠাতে পারেন সেখানকার বাঙালীরা।
সম্প্রতি ব্রিটেনের বার্কলেজ ব্যাংকের সিদ্ধান্তের কারণে প্রায় আড়াই শতাধিক মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার ঘোষণা এসেছে। ব্যাংকটি এক বিবৃতিতে বলছে, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে টাকা পাঠানোর উৎস খোঁজা হয় না। অর্থ পাচারের অভিযোগ এনে ব্যাংকটি বলছে, প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্রিটেন থেকে বাংলাদেশ গেলেও এর সমপরিমাণ রাজস্ব দেশটি পায় না। ব্যাংকটির মতে, এসব মানি এক্সচেঞ্জ বন্ধ করা হলে আর্থিক অপরাধ কমে আসবে। আগামী ১০ জুলাই থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে বলেও ব্যাংকটি জানিয়েছে। ফলে বাংলাদেশী মানি ট্রান্সফার ব্যবসা এখন সঙ্কটের মুখে পড়বে বলে মনে করছেন অনেকেই।
এসব মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হলে এর মারাত্মক প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন লন্ডনের পূবালী এক্সচেঞ্জের ম্যানেজার মহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রতিদিন লন্ডনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ১০ লাখ পাউন্ড রেমিটেন্স বাংলাদেশ পাঠানো হয়। ব্রিটিশ সরকার এই অর্থের উৎস খুঁজতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।