
পুলিশ সর্বমোট স্পেনে ৫১ জনকে এবং ফ্রান্সে ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে একটি বিরাট পাচার চক্র সংগঠনের অভিযোগ আনা হয়েছে। বলা হচ্ছে তারা ভূয়া পরিচয়পত্র তৈরি করার এবং স্পেনের মত দেশগুলোতে তাদের ঢোকার ব্যবস্থা করার জন্য চীনা অভিবাসীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ হাজার ইউরো পর্যন্ত নিত।
এরপর স্পেন থেকে তাদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চালান করা হতো ইউরোপের অন্যান্য দেশ যেমন ব্রিটেন এবং আমেরিকায়। এইভাবে ইউরোপ ও আমেরিকায় পাচার হওয়া চীনাদের কাউকে কাউকে যৌনব্যবসাতেও জড়িত করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশি অভিযানের সময় কর্মকর্তারা ৮১টি জাল পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করেছে। অভিযুক্ত এই মানব-পাচার চক্রের সদস্যরা যাদের পাচার করা হচ্ছে তাদের স্পেনে বার্সেলোনার এল প্রাট বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিত বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ ওইসব বিমানবন্দরে তাদের ভাল চেনাজানা ছিল।
একটি সেচ্ছাসেবী সংস্থা সম্প্রতি বলেছিল মানব পাচার এখন বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে দ্রুত বেড়ে ওঠা অপরাধে পরিণত হচ্ছে।