
প্রায় সাত মিলিয়ন মালিয়ান নাগরিক রোববার ভোটদানে অংশ নিবেন বলে আশা করা হচ্ছিল যেহেতু গত বছরের মার্চের অভ্যুত্থানে, বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং ইসলামী চরমপন্থীদের থেকে দেশের উত্তরের বৃহৎ অংশ উদ্ধার করবার পর এটি দেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।
অনেকেই এমন বড় একটা সংঘাতের পর এত শীঘ্রই দেশটির সাংগঠনিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন আবার অনেকে এখনো ভোটার আইডি কার্ড ছাড়া হাজারো নাগরিকদের ভোটাধিকার না থাকায় মালির নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। এছাড়াও ইসলামী জঙ্গিরা ভোটকেন্দ্রে আক্রমণ করার হুমকি দেবার পর ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ বিরাজ করছে।